মনের রোগে আক্রান্ত সমাজ

সমাজ এখন এক বিপদসঙ্কুল সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে কারণটা করোনা ভাইরাস নয়, বরং মানুষের অজ্ঞতা ও মুর্খামি! করোনা ভাইরাসের প্রকোপ একটু কমতে না কমতেই মানুষজন প্রায় সব স্বাস্থ্যবিধি শিকেই তুলে সর্বত্র ঘোরাফেরা করছে। কিন্তু বিগত কয়েক সপ্তাহ ধরে করোনা আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে, পাঁচটি রাজ্যে আরও খারাপ অবস্থা, সেখানে লকডাউনও শুরু হয়েছে।   প্রায় একবছর ধরে ঘরবন্দি থেকে মানুষের অবস্থা হয়েছিল খাঁচাবন্দী পাখির মতো। সাথে সাথে প্রকট হয় মানুষিক নানা ব্যধি। আসলে আমাদের সমাজে শারীরিক ব্যধিকে যতটা গুরুত্ব দেওয়া হয়, মানুষিক ব্যধিকে তার সিকিভাগও গুরুত্ব দেওয়া হয়না। মানুষের সংস্পর্শহীন বহুদিন থাকার ফলে, মানুষের মনে নেমে আসে অবসাদ, উদ্বেগ বা একাকীত্বের কালো মেঘ।

27 February 2021  ·  2 Minutes  ·  313 words

স্বাস্থ্যব্যবস্থা ও আমার অভিজ্ঞতা

কদিন আগে আমার মায়ের ডাইরিয়া হয়েছিল। হাসপাতালে পর্যন্ত ভর্তি করতে হয়েছিল। আমাদের শহরের সুপার স্পেসালিটি হাসপাতালে (সরকারি) হাসপাতালেই ভর্তি করেছিলাম। সেখানে আমার বেশ কিছু জিনিস চোখে পড়েছিল যেগুলো সাধারণ মানুষ হিসাবে আমার মনে হয় উন্নতির প্রয়োজন আছে -  যখন জরুরি বিভাগে, রোগীকে ভর্তির জন্য নাম নথিভুক্ত করছিলাম, তখন একজন ডাক্তার কি হয়েছে , কি অসুবিধা ইত্যাদি জিজ্ঞাসা করছিল। তারপর একজন নার্স নাম ঠিকানা নথিভুক্ত করল। এক্ষেত্রে আমার মনে হয়, এখানে রোগীকে অপেক্ষা না করিয়ে তাড়াতাড়ি রোগীকে ভর্তি করে, তৎক্ষণাৎ অন্তত তার প্রাথমিক চিকিৎসা শুরু করা উচিত। যাইহোক তারপর রোগীকে ৩ তলায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, কিন্তু রোগী খুব দুর্বল ছিল, হাঁটিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব ছিল না। স্ট্রেচারের ব্যবস্থা করা হল, কিন্তু ওরা বলল স্ট্রেচার ঠেলে নিয়ে যাওয়ার কেও নেই রোগীর বাড়ির লোককেই ঠেলে নিয়ে যেতে হবে। এটা তো অবাক ব্যবস্থা, আমার মনে হল কিছু লোক এই কাজে নিযুক্ত থাকা প্রয়োজন যারা স্ট্রেচার বা হুইলচেয়ার করে রোগীকে গন্থ্যবে পৌঁছে দেবে। তারপর তো ফিমেল ওয়ার্ডে নিয়ে যাওয়া হল, সেখানে নার্সরা প্রেশার, সুগার টেস্ট করে একটা বেড দিল। কিন্তু ওখানে গিয়ে শুনলাম, ডাক্তার নাকি সকালেই রোগী দেখে চলে গিয়েছে , এখন কোনো ডাক্তারের ব্যবস্থা নেই; ওরা বলল এবার ডাক্তার আসবে সেই সন্ধ্যায়। এটা কিন্তু একটা খারাপ ব্যপার, আমরা রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করেছিলাম প্রায় সকাল ১১ টাই এবার যদি রোগীকে সারাদিন এমন করে ফেলে রাখা হয় তাহলে তো অবস্থা গুরুতর হয়ে যেতে পারে। শুধু স্যালাইন দিলেই কি সমস্যার সমাধান হবে?